কলেজ ছাত্রী মুনিয়ার হত্যা নাকি আত্মহত্যা?

কলেজ ছাত্রী মুনিয়ার হত্যা নাকি আত্মহত্যা?

রাজধানীর গুলশানে অভিজাত এলাকায় ফ্লাটে খুন হওয়া কলেজ ছাত্রী মুনিয়ার হত্যা নিয়ে রহস্যের জট যেনো খুলছেই না।

আত্বহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে বসুন্ধরা গ্রুপের বেবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভিরের নামে মামলা হলেও পরিবারের দাবী এই হত্যাটি আত্বহত্যা বলে চালানোর জন্যে খুন করার পর মুনিয়ার লাশ সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে।

তদন্তের সাথে যুক্ত পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন খুব গুরুত্বের সাথে তারা তদন্ত করে দেখছেন,
ময়নাতদন্ত ছাড়াও অন্যান্য আনুসাঙিক ঘটনাপ্রবাহ বিচার বিশ্লেষণ করে দেখছেন তারা, বাসা থেকে পায়ের ছাপ হাতের সহ বিভিন্ন ধরনের আলামত জোগার করা হয়েছে বলে তারা জানান।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বলেছেন সুদিপ কুমার বলেছেন আমরা সব বিষয় সামনে রেখেই তদন্ত করছি,
মুনিয়া আসলেই আত্বহত্যা করেছে নাকি হত্যা করা হয়েছে এই বিষয়টি পরিষ্কার হতে কিছু সময় লাগবে তবে ময়নাতদন্ত হাতে পেলে আরো অনেক কিছু পরিষ্কার হবে, ডি এন এ নমুনা সংগ্রহ আরো পরিক্ষা যাচাই করা হচ্ছে।

আত্বহত্যা করে থাকলে মেয়েটি কেনো করলো সে কারন জানার চেষ্টা চলছে,
তারা আরো জানান যে মুনিয়া যে এপার্টমেন্টে থাকতো সেই এপার্টমেন্টে্র সব সিসি ফুটেজ জব্দ করে নিয়ে পরিক্ষা করা হচ্ছে ঘটনার দিন কে বা কারা ওই ফ্লাটে গিয়েছিল বা বের হয়েছিল কিংবা সর্বশেষ কে বের হয়েছিলো তা যাচাই চলছে।
তবে এই যাচাই করতে কিছুটা সময় লাগবে, এছাড়া মুনিয়া এবং সন্দেহভাজনদের ফোনকলের তালিকাও যাচাই করা হবে।
সন্দের তালিকায় থাকা সায়েম সোবহান ঘটনার সময় কোথায় ছিলেন তা জানার চেষ্টা চলছে।

যেহেতু ঘটনাটি খুব স্পর্শ্যকাতর তাই হুটহাট কোন সিদ্ধান্ত নেয়ার সুযোগ নেই বলে তথয প্রমান হাতে নিয়ে সামনে এগুতে হবে।
নয়তো মুল আসামী মামলা স্কিপ হবার সুযোগ পেয়ে যাবে তাই মুনিয়ার মোবাইল ফোন সহ অনেক কিছুই ফরেন্সিক পরিক্ষা করা হবে এবং মুনিয়ার ডায়েরির লেখা গুলিও যাচাইবাছাই চলছে।

About admin

Check Also

ঘরে বাবার লাশ দুই দিন পার হলেও দাফনে বাধা সন্তানদের

ঘরে বাবার লাশ দুই দিন পার হলেও দাফনে বাধা সন্তানদের বাবা মারা গেছে কিন্তু দাফন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *